Wednesday, June 23, 2021

করোনা আবহে ফুসফুস সুস্থ রাখার উপায়

কোভিড সবার আগে আক্রমণ করছে ফুসফুসে। তাই, ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে পারলেই অনেকটা বিপদমুক্ত থাকা যায়। কাজেই যে কোনও মূল্যে ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে হবে। ফুসফুস এর যত্ন নেওয়া এবং ইমিউনিটি উন্নত করার জন্য এই টিপসগুলি ফলো করে চলুন।

দূষণ থেকে দূরে থাকুন
যখন বাতাসের গুনমান খারাপ থাকে তখন বাইরে বাইরে অনুশীলন করা এড়িয়ে চলুন। দূষণ সৃষ্টিকারী জিনিস গাড়ির ধোঁয়া, এছাড়াও বাড়ি এবং কর্মক্ষেত্রে ব্যবহৃত বিভিন্ন রাসায়নিক যেমন রেডন গ্যাস, যা দেওয়াল ভেদ করে বেরোতে সক্ষম, সেই সমস্ত জিনিস আপনার ফুসফুসকে প্রভাবিত করতে পারে।

আপনার শ্বাস-প্রশ্বাস গণনা করুন
আপনি আপনার ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে পারেন আপনার নিঃশ্বাস ধরে রাখার ক্ষমতা অনুযায়ী। একটা স্বাভাবিক শ্বাস প্রক্রিয়ায় কত সময় লাগে সেটা গণনা করুন। আপনার শ্বাস প্রক্রিয়ার গড় সময় বের করে নেওয়ার পর সেই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে একটু বেশি পরিমান শ্বাস নেওয়া এবং ছাড়া শুরু করুন।

পজিশন বদল করুন
ঘন্টায় একবার হলেও অন্তত আপনার পজিশন বদল করুন। এটা আপনার ফুসফুসের জন্য ভালো। চেয়ারে একটানা বসে থেকে উঠে পায়চারি করুন। পারলে কিছু এক্সারসাইজও করতে পারেন। এতে আপনার শরীরে রক্ত এবং অক্সিজেন প্রবাহ আরও সচল থাকবে।

ধূমপান ছাড়ুন
কোভিড থেকে সুস্থ হওয়ার সময়ে ধূমপান মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। এটি আপনার শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস করার পাশাপাশি ফুসফুসেও ক্ষতি করে। এটা আপনার ফুসফুসের কোশগুলো নষ্ট করে এবং শ্বাস চলাচলের পথ সংকীর্ণ করে দেয়।

বায়ু বিশুদ্ধ করে এমন কিছু গাছ রাখুন
স্পাইডার প্ল্যান্ট, মানি প্ল্যান্ট, বাঁশ, অ্যালোভেরা, ইংলিশ আইভি এবং বোস্টন ফার্নগুলি দূষণকারী এবং বিষাক্ত উপাদানগুলির জন্য প্রাকৃতিক বায়ু পরিশোধক হিসাবে কাজ করে। প্রতি ১০০ বর্গ ফুট অন্তর দুটি করে এই সমস্ত গাছ রাখতে পারেন।

বায়োবিক অনুশীলন করুন
অন্তত ৪৫ মিনিট ধরে শ্বাসবন্ধ করে হাঁটা, জগিং বা আসতে দৌড়ানো, এই অনুশীলনগুলো সপ্তাহে পাঁচবার করে করুন। এটা আপনার ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াবে। যোগা এবং ব্রিদিং এক্সারসাইজ খুব গুরুত্বপূর্ণ এক্ষেত্রে।

কম ফ্যাটজুক্ত খাবার খান
কম ফ্যাট যুক্ত খাবার খান, সঙ্গে জল খান বেশি করে। সঙ্গে ব্রোকলি, বাঁদাকপি, ফুলকপি-এর মতো সবজি এবং ফল খান। ফলের মধ্যে খেতে পারেন আপেল, কমলালেবু, আনারস। এগুলো আপনার ফুসফুস ভালো রাখতে এবং তার কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

সবজি না খেলে নিয়মিত মাছ খান
আমিষ না হলে মুখে ভাত রোচে না অনেকেরই। তাহলে কুছ পরোয়া নেহি। প্রতিদিন যেকোনও একটি করে যেকোনও ধরণের মাছ খান। মাছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ থাকে, যা ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

ভেষজ পানীয় ফুসফুসের স্বাস্থ্য শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। প্রতিরাতে জলে বা দুধে হলুদ মিশিয়ে খেতে পারেন। এছাড়াও খেতে পারেন পিপামেন্ট চা, আদা চা এবং এলাচ চা। পানীয় গুলির পাশাপাশি ভালো থাকার একমাত্র উপায় স্বাস্থ্যকর ডায়েট।

আরও পড়ুন

টাটকা আপডেট

সবচেয়ে জনপ্রিয় সংবাদ